The Prestigious Nobel Prize: ৬ টি ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের সম্মাননা

“Nobel Prize: পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে অসাধারণ অবদানের জন্য মানবতার সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক এবং সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি।” আলফ্রেড নোবেল ছিলেন একজন রসায়নবিদ, আবিষ্কারক, উদ্যোক্তা, বিজ্ঞানী ও ব্যবসায়ী, যিনি কবিতা ও নাটকও লিখতেন। তাঁর এই বহুমুখী আগ্রহ প্রতিফলিত হয়েছে সেই পুরস্কারে, যার ভিত্তি তিনি স্থাপন করেন 1895 সালে তাঁর লেখা শেষ উইলের মাধ্যমে, যেখানে তিনি তাঁর সম্পদের বড় অংশ এই পুরস্কারের প্রতিষ্ঠার জন্য দান করেন। আলফ্রেড নোবেল তাঁর উইলে উল্লেখ করেছিলেন যে “তাঁর মোট সম্পদের বড় একটি অংশ — 31 মিলিয়নেরও বেশি সুইডিশ ক্রোনা (বর্তমান মূল্যে প্রায় 2.2 বিলিয়ন ক্রোনা) — একটি তহবিলে জমা রাখতে হবে এবং তা ‘নিরাপদ বিনিয়োগ’-এ সংরক্ষণ করতে হবে। এই তহবিল থেকে অর্জিত আয় প্রতি বছর পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হবে, তাঁদের মধ্যে যাঁরা পূর্ববর্তী বছরে মানবকল্যাণে অসামান্য অবদান রেখেছেন।”
1833 সালের 21 অক্টোবর সুইডেনের স্টকহোমে Alfred Nobel জন্মগ্রহন করেন এবং 10th December, 1896-তে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর পিতা ইমানুয়েল নোবেল ছিলেন একজন ইঞ্জিনিয়ার ও ইনভেন্টর, তিনি স্টকহোমে বহু সেতু ও ভবন নির্মাণ করেছিলেন এর পাশাপাশি ইমানুয়েল নোবেল শিলা বিস্ফোরণের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন। Alfred Nobel হলেন ‘নোবেল পুরস্কার’-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং এটা ছিল তাঁর পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে এগিয়ে চলা। তিনি ডিনামাইট আবিষ্কারক এবং 355 টি পেটেন্টের অধিকারী হিসাবে আমাদের সকলের কাছে পরিচিত।
Nobel Prize হল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার যা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান-কে মানবকল্যানে অসাধারন অবদান রাখার জন্য প্রদান করা হয়। 1901 সাল থেকে নোবেল পুরস্কার বিশ্বব্যাপী পুরুষ ও নারীকে সম্মান জানিয়ে আসছে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, শারীরবিদ্যা বা চিকিৎসা, সাহিত্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য। প্রতিটি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বা সংস্থাকে “লরিয়েট” বলা হয়। প্রতি বছর 10 ডিসেম্বর, আলফ্রেডে নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় এবং প্রতি বছর অক্টোবরে নতুন নোবেল পুরস্কার এবং বিজয়ীদের ঘোষণা করা হয়। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এক বা একাধিকবার এই পুরস্কার পেতে পারেন।
1. Nobel Medal

নোবেল মেডেলটি মূলত 18 ক্যারাট সবুজ সোনার উপর 24 ক্যারাট সোনার আস্তরণ দিয়ে তৈরি। এটিতে প্রায় 175 গ্রাম ওজনের সোনা থাকে। অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কারের পদক ব্যতীত, যার ওজন 185 গ্রাম। পদকের ব্যাস 66 মিলিমিটার এবং পুরুত্ব (বেধ) 5.2 মিলিমিটার থেকে 2.4 মিলিমিটার পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়।
সকল পদকের সামনের দিকে বিভিন্ন সংস্করণে আলফ্রেড নোবেলের একটি প্রতিকৃতি রয়েছে এবং সুইডেনে দেওয়া নোবেল পুরস্কারগুলো-র (পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য) পিছনের দিকে (reverse side) একটি ছোট প্লেটের ওপর পুরস্কারপ্রাপকের নাম দৃশ্যমানভাবে খোদাই করা থাকে, নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং অর্থনীতির নোবেল স্মারক পুরস্কার – এই দুই পদকে বিজয়ীর নাম পদকের ধারের (edge) ওপর খোদাই করা থকে যা কম স্পষ্ট।
1902 সালে নোবেল লরিয়েটরা প্রথম পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসা (ফিজিওলজি বা মেডিসিন) এবং সাহিত্য বিভাগে প্রকৃত Nobel Prize Medal পান এবং এগুলোর নকশা করেছিলেন সুইডিশ ভাস্কর ও খোদাইশিল্পী এরিক লিন্ডবার্গ (Erik Lindberg)। নরওয়েজিয়ান ভাস্কর গুস্তাভ ভিগল্যান্ডকে 1901 সালে নরওয়েজিয়ান নোবেল শান্তি পুরস্কার পদক ডিজাইন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে, গুস্তাভ ভিগল্যান্ড একজন ভাস্কর ছিলেন এবং পদক খোদাইকারী ছিলেন না, তাই এরিক লিন্ডবার্গ ভিগল্যান্ডের নকশার উপর ভিত্তি করে শান্তি পদকের জন্য ডাই (ছাঁচ) তৈরি করেছিলেন। তাদের এই নকশা আজও ব্যবহৃত হয়। অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে স্মারক পুরস্কারের পদক (1968 সালে সেভেরিজেস রিক্সব্যাঙ্কের 300 তম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠিত), গুনভর সভেনসন-লুন্ডকভিস্ট দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছিল।
নোবেল পুরস্কারের মেডেল 1902 সাল থেকে 2010 সাল পর্যন্ত সুইডেনের এস্কিলস্টুনা শহরের রয়্যাল মিন্ট (Myntverket)–এ প্রস্তুত করা হত। 2011 সালে, নোবেল পুরস্কার ও নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল নরওয়ের কংসবার্গ শহরের Det Norske Myntverket (মিন্ট অফ নরওয়ে)-এ তৈরি হয়। 2012 সাল থেকে নোবেল পুরস্কার ও অর্থনীতির জন্য প্রদত্ত নোবেল মেডেল তৈরি হচ্ছে সুইডেনের এস্কিলস্টুনায় Svenska Medalj কারখানায়, আর নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল প্রস্তুত করছে নরওয়ের কংসবার্গের Det Norske Myntverket। যে কেসে মেডেলগুলো সংরক্ষণ করা হয়, সেগুলো হাতে তৈরি করতেন আন্দের্স এরিকসনের কর্মশালার কারিগরেরা।
2. Nobel Diploma

প্রতিটি Nobel Prize ডিপ্লোমা একটি অনন্য শিল্পকর্ম যেখানে নকশাটি পুরষ্কার প্রদানকারী সংস্থাগুলি দ্বারা নির্ধারিত হয় এবং এই নোবেল পুরষ্কার ডিপ্লোমার আকার 23 x 35 সেমি। বছরের পর বছর নোবেল ডিপ্লোমার শিল্পকর্ম ও নকশায় পরিবর্তন এসেছে, সুইডিশ ডিপ্লোমায় প্রায় একই ধরনের লেখা থাকে — কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে সেই বছরের পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে এবং কেন তা প্রদান করা হচ্ছে তা ব্যাখ্যা করে একটি উদ্ধৃতি উল্লেখ করা থাকে, তবে নরওয়েজীয় ডিপ্লোমায় কখনোই পুরস্কারের উদ্ধৃতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
শারীরবিদ্যা বা চিকিৎসা শাখার নোবেল ডিপ্লোমার উপর থাকে একটি খোদাই করা নোবেল রিলিফ, যা সূক্ষ্মভাবে চামড়ার উপর বসানো। ডিপ্লোমা প্রস্তুতির শেষ ধাপে বুকবাইন্ডার এটি সর্বোচ্চ মানের ছাগলের চামড়ায় মোড়ানো কভারে স্থাপন করে, আজকাল পদার্থবিদ্যা ডিপ্লোমাগুলি গাঢ় নীল চামড়ার কভারে, রসায়ন লাল রঙে, শারীরবিদ্যা বা চিকিৎসা বারগান্ডে, সাহিত্য নীল রঙে এবং অর্থনীতি বিজ্ঞান গাঢ় বাদামী রঙে স্থাপন করা হয়। এছাড়াও, ক্যালিগ্রাফাররা প্রতিটি বিজয়ীর জন্য ডিপ্লোমার বাইরের দিকে বিশেষ সোনার মনোগ্রাম ডিজাইন করে থাকেন যা, ডিপ্লোমাগুলি যে বাক্সগুলিতে রাখা হয় সেখানেও পাওয়া যায়। এই ডিপ্লোমা বাক্সগুলি ধূসর রঙের বোনা কাগজের বোর্ড দিয়ে তৈরি এবং বাক্সগুলির ভিতর শূকরের চামড়ার সোয়েড দিয়ে আবৃত।
3. Nobel Prize Money
2024 সালে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য প্রতি পূর্ণ নোবেল পুরস্কারের জন্য 11 মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা (SEK) (ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় 10,08,28,200 টাকা)। যদি একাধিক ব্যক্তি একই বিভাগে বিজয়ী হন, তবে এই অর্থ ভাগ করে দেওয়া হয়।
Nobel Prize প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং কমিটি
পদার্থবিদ্যা: রয়্যাল সুইডিশ অ্যকাডেমি অফ সায়েন্স
- রসায়ন: রয়্যাল সুইডিশ অ্যকাডেমি অফ সায়েন্স
- Medicine/Physiology: Nobel Assembly at the Karolinska Institute.
- সাহিত্য: সুইডিশ অ্যকাডেমি
- শান্তি (Peace): Norwegian Nobel Committee.
- অর্থনীতি (Economics): রয়্যাল সুইডিশ অ্যকাডেমি অফ সায়েন্স (অর্থনীতিকে 1968 সালে সুইডিশ ন্যাশানাল ব্যংক যুক্ত করে। এটি ছিল একটি ব্যতিক্রম, যা সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের 300 বছর পূর্তি উদযাপনের জন্য চালু করা হয়েছিল।)
শান্তি পুরস্কার নরওয়েতে এবং বাকি পুরস্কারগুলো সুইডেনে প্রদান করা হয়।
Nobel Foundation:
সুইডেনের স্টকহোমে অবস্থিত নোবেল ফাউন্ডেশন একটি বেসরকারি সংস্থা, যা 1900 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য আলফ্রেড নোবেলের উইলে বর্ণিত অভিপ্রায়কে বাস্তবায়ন করা। ফাউন্ডেশনটি নোবেলের সম্পদ এমনভাবে পরিচালনা করে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে নোবেল পুরস্কারের জন্য আর্থিক স্থিতি বজায় থাকে এবং বিজয়ী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থাগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়।
এছাড়া নোবেল পুরস্কারের অবস্থানকে সুসংহত করা তথা পুরস্কারের আন্তর্জাতিক মর্যাদা বজায় রাখা, প্রদানকারী সংস্থাগুলোর যৌথ স্বার্থ রক্ষা করা এবং নোবেল সংগঠনের সার্বিক প্রতিনিধিত্ব করাকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে পালন করে এই নোবেল ফাউন্ডেশন।
পৃথিবীতে যারা প্রথম Nobel Prize পেয়েছেনঃ
1901 সালে প্রথমবার 5 টি বিষয়ে Nobel Prize প্রদান করা হয়।
Physics: Wilhelm Conrad Rontgen, Germany
Chemistry: Jacobus Henricus Van’t Hoff, Netherlands
Medicine/Physiology: Emil Von Behring, Germany
Literature: Sully Prudhomme, France
Peace: Jean Henry Dunant, Switzerland
- 1969 সাল থেকে অর্থনীতিতে Nobel Prize দেওয়া চালু হয়।
অর্থনীতিতে 1969 সালে নোবেল পুরস্কার (প্রকৃত নাম Sveriges Riksbank Prize in Economic Sciences in Memory of Alfred Nobel) পান রাগনার ফ্রিশ (Ragnar Frisch) (নরওয়ে) এবং জ্যান টিনবার্গেন (Jan Tinbergen) (নেদারল্যান্ডস) যৌথভাবে অর্থনীতিতে ইকোনোমেট্রিক্স (Econometrics) শাখার প্রবর্তন ও উন্নয়নের জন্য।
ভারতে এখনপর্যন্ত যারা যারা Nobel Prize পেয়েছেনঃ
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় তার মানেই প্রথম ভারতীয় ও প্রথম বাঙালী নোবেল বিজয়ী। যিনি 1913 সালে “গীতাঞ্জলি” (Song Offerings) কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে Nobel Prize পান। তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি সাহিত্য বিভাগে নোবেল পুরস্কার পান।
(স্যার রোনাল্ড রস 1902 সালে শারীরবিদ্যা ও চিকিৎসা (Physiology or Medicine) বিভাগে Nobel Prize পান ম্যালেরিয়ার কারণ আবিষ্কারের জন্য। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ নাগরিক এবং তখন ব্রিটিশ ভারতের কলকাতায় (Presidency General Hospital ও অন্যান্য জায়গায়) গবেষণা করছিলেন। তাই তাঁকে “ভারতের মাটিতে গবেষণা করে নোবেল প্রাপ্ত প্রথম বিজ্ঞানী” বলা হয়, কিন্তু প্রথম ভারতীয় নোবেলজয়ী বলা হয় না, কারণ তিনি ভারতীয় নাগরিক ছিলেন না।)
- 1930 সালে চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন (তামিলনাড়ু) পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে রমন প্রভাব (Raman Effect) আবিস্কারের জন্য Nobel Prize পান।
- 1979 সালে মাদার তেরেসা শান্তি বিভাগে মানবসেবা ও দরিদ্রদের জন্য কাজ করায় Nobel Prize পান। এই মাদার তেরেসা কলকাতা-র (পশ্চিমবঙ্গ) বাসিন্দা এবং একজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন, কিন্তু তিনি স্কোপিয়ে (তৎকালীন যুগোস্লাভিয়া, বর্তমানে উত্তর মেসিডোনিয়া) জন্মগ্রহন করেছিলেন।
- অমর্ত্য কুমার সেন 1998 সালে কল্যাণ অর্থনীতি (Welfare Economics), সামাজিক পছন্দ তত্ত্ব (Social Choice Theory), এবং দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণায় অবদানের জন্য অর্থনীতি বিভাগে Nobel Prize পান। তিনি নোবেল পাওয়ার সময় বিদেশে শিক্ষকতা করলেও নাগরিকত্ব ছিল ভারতের, এবং তিনি জন্ম গ্রহন করেছিলেন শান্তিনিকেতনে।
- কৈলাস সত্যার্থী 2014 সালে শান্তি বিভাগে (যৌথভাবে মালালা ইউসুফজাই-এর সাথে) শিশুশ্রম, দাসত্ব ও মানবপাচার বিরোধী আন্দোলনে দীর্ঘদিনের অবদান, এবং সবার জন্য বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য কাজ ইত্যাদির জন্য Nobel Prize পান। তিনি মধ্যপ্রদেশের বিদিশা-তে জন্মগ্রহন করেছিলেন এবং নোবেল পাওয়ার সময় তিনি একজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।
- অভিজিৎ বিনায়ক বন্দোপাধ্যায় 2019 সালে অর্থনীতি বিভাগে (যৌথভাবে এস্থার দুফলো ও মাইকেল ক্রেমারের সাথে) বৈশ্বিক দারিদ্র্য নিরসনের জন্য পরীক্ষামূলক পদ্ধতি (Randomized Controlled Trials – RCT) ব্যবহার করে নীতিগত ও প্রায়োগিক গবেষণা-য় অবদানের জন্য Nobel Prize পান। তিনি পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় জন্মগ্রহন করেছিলেন এবং নোবেল পাওয়ার সময় ভারতীয় নাগরিক ছিলেন (পরে অবশ্য মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করেন)।
- মালালা ইউসুফজাই 2014 সালে শান্তি বিভাগে (যৌথভাবে কৈলাস সত্যার্থী-র সাথে) ‘মেয়েদের শিক্ষার অধিকার রক্ষায় অবিচল সংগ্রাম এবং সন্ত্রাসবাদ ও দমননীতির বিরুদ্ধে নির্ভীক অবস্থান’ এই ক্ষেত্রে অবদানের জন্য Nobel Prize পান। তিনি পাকিস্তানে জন্মগ্রহন করেছিলেন এবং নোবেল পাওয়ার সময় পাকিস্তানেরই নাগরিক ছিলেন। তিনিই হলেন সবচেয়ে কম বয়সী নোবেলজয়ী (মাত্র 17 বছর বয়সে)।
2024 সালে নোবেল লরিয়েটদের নামঃ
In Physics:
John J. Hopfield & Geoffrey Hinton (কৃত্রিম স্নায়বিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মেশিন লার্নিংকে সম্ভব করে তোলা মৌলিক আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য।)
In Chemistry:
David Baker (গণনাধারিত প্রোটিন নকশার জন্য।), Demis Hassabis & John Jumper (প্রোটিনের গঠন পূর্বাভাসের জন্য।
In Physiology or Medicine:
Victor Ambros & Gary Ruvkun (মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং ট্রান্সক্রিপশনের পর জিন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকার জন্য)
In Literature:
Han Kang (সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার 2024 প্রদান করা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার লেখিকা হান কাং-কে, “তার তীব্র কাব্যিক গদ্যের জন্য, যা ঐতিহাসিক আঘাতের মুখোমুখি হয় এবং মানবজীবনের ভঙ্গুরতাকে উন্মোচন করে।”)
In Peace:
Nihon Hidankyo (পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের মাধ্যমে এ বার্তা প্রদানের জন্য যে পারমাণবিক অস্ত্র আর কখনোই ব্যবহার করা উচিত নয়।)
The Sveriges Riksbank Prize in Economic Sciences in Memory of Alfred Nobel 2024:
Daron Acemoglu, Simon Johnson & James A. Robinson (প্রতিষ্ঠানগুলি কীভাবে গঠিত হয় এবং সমৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে — সেই বিষয়ে গবেষণার জন্য।)
2025 সালে নোবেল লরিয়েটদের নামঃ
In Physics:
John Clarke
For the discovery of macroscopic quantum mechanical tunnelling and energy quantisation in an electric circuit.
Michel H. Devoret
For the discovery of macroscopic quantum mechanical tunnelling and energy quantisation in an electric circuit.
John M. Martinis
For the discovery of macroscopic quantum mechanical tunnelling and energy quantisation in an electric circuit.
In Chemistry:
Susuma Kitagawa
For the development of metal-organic frameworks.
Richard Robson
For the development of metal-organic frameworks.
Omar M. Yaghi
For the development of metal-organic frameworks.
In Physiology or Medicine:
Mary E. Brunkow
For their discoveries concerning peripheral immune tolerance.
Fred Ramsdell
For their discoveries concerning peripheral immune tolerance.
Shimon Sakaguchi
For their discoveries concerning peripheral immune tolerance.
In Literature:
Laszlo Krasznahorkai
For his compelling and visionary oeuvre that, in the midst of apocalyptic terror, reaffirms the power of art.
In Peace:
Maria Corina Machado
For her tireless work promoting democratic rights for the people of Venezuela and for her struggle to achieve a just and peaceful transition from dictatorship to democracy.
The Sveriges Riksbank Prize in Economic Sciences in Memory of Alfred Nobel 2024:
Joel Mokyr
For having identified the prerequisites for sustained growth through technological progress.
Philippe Aghion
For the theory of sustained growth through creative destruction.
Peter Howitt
For the theory of sustained growth through creative destruction.
